RSS

৪০তম মহান স্বাধীনতার এই মাসে জানাই মুজিবীয় সুভেচ্ছা

23 Mar

দূরের এবং কাছের, দেশে এবং দেশের বাইরের সকল বাংলা ভাষাভাষী ভাই বোনদের ৪০তম মহান স্বাধীনতার এই মাসে জানাই মুজিবীয় সুভেচ্ছা এবং  সকল শহীদদের প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা । মহান স্বাধীনতার মহা নায়ক, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অনুপস্থিতিতে এ দিবসটি উদযাপনে সকলের কাছেই একটা বিরাট শুন্যতা ভীর করছে। আমরা জানি তাঁকে আর ফিরে পাওয়া যাবেনা। যে একবার যায় সে আর ফিরে না, এইতো বিধির অমোঘ নিয়ম। বাঙ্গালী জাতি যে সোনার মানুষটিকে হারিয়েছে এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ই অগাস্ট গুটিকয়েক বন্দুকধারী বিপথগামী কুজন্মা কুলাঙ্গার এই বিশ্বকাপানো বিশ্বনেতাকে রাতের অন্ধকারে কাপুরুষের মত স্বপরিবারে হত্যার মাধ্যমে স্বাধীনতার লাল আর সবুজের পতাকায় আবার চন্দ্রবিন্দু (চাঁদ তারা) বসানোর হীন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছিলো

বঙ্গবন্ধুর অকাল প্রয়াণে ৩০ লক্ষ বাঙ্গালীর তাজা রক্ত আর লক্ষ লক্ষ মা-বোনের মহা সম্পদ সম্ভ্রম  ইজ্জতের মুল্যে কেনা মহান স্বাধীনতা হুমকির সম্মুখীন হয়েছিলো। আল্লাহর  অশেষ মেহেরবানী বঙ্গবন্ধুকণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর মেধা এবং চোউকশ বুদ্ধিমত্তা তথা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়শিক্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বলিষ্ঠ ভূমিকা এবং স্বাধীনতাপ্রিয় কোটি কোটি মানুষের ত্যাগ তিতিক্ষা,   দেশমাতৃকার টানে উদ্গত অগাধ ভালোবাসা, সর্বপরি জাতীয় ঔক্য সকল বাঁধা বিপত্তিকে কাটিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে সর্বকালের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে বিপুল ভোটে বিজয়ের মাধ্যমে দিতীয়বার মন্ত্রীপরিষদ গঠণ করেছেন ।

জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর নিবাচনী ইশ্তেহারে স্বাধীনতা বিরোধীদের যথাযথ বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রতি প্রদান করেছিলেন । আমরা এখনো আশাবাদী এবং ইনশাল্লাহ তিনি সফল হবেনই।

গোটা জাতি এখনো রাজাকার আল বদর এবং আল শামসদের বিচারের আশায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিকে বুকভরা আশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। দ্রব্যমুল্যস্ফীতির কথা বাদ দিলেও রাজাকারের বিচারের বিষয়টি কোনোভাবেই বাদ দেয়া যায়না। গ্যাস বিদ্যুৎ পানিসহ জাতীয় উন্নয়ন সরকারের আগামী অদূর ভবিষ্যতে পুনঃরায় ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। কিন্তু রাজাকারের যথযথ শাস্তিরবিধান একমাত্র আওয়ামী লীগই করতে পারেচাই ক্ষমতায় দ্বিতীয়বার আসুক আর নাই আসুক। এবং এই বিচার যদি কোনো কারনে বিলম্বিত বা নস্যাৎ হয় তাহলে আমরা ৩০ লক্ষ সহিদের রক্তের সাথে বেঈমানী করার সামিল হবো।

জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু হত্যামামলা ১৯৯৬ -২০০১ সময়ের মধ্যেই শেষ করা যেতো। কিন্তু সেখানে বিশেষ বুদ্ধিজীবীদের গদ গদ উপদেশ মাননীয়া প্রধানমন্ত্রীকে আগামী দিনের ইস্যু হাতে রাখার কবজ বা তাবীয হিসাবে কাজ করবে বলে উৎসাহিত করা হয় এবং মাননীয়নেত্রী বাধ্য হন বঙ্গবন্ধু হত্যামামলা ধীরস্থীর গতিতে চলার নীতি গ্রহণ করতে।

the leader of the century

world leader Bangabandhu sheikh mujib আমি এ লেখাটি লিখতাম না, জানি, যদিও আমার কোনো কোনো ভাই একটু রাগ করবেন। সম্প্রতি আমার কাছে ক্যানাডা থেকে আমার এক “মা” অথবা যদি বলি আমার এক “বোন” আমার কাছে এক হ্রদয় বিদারক ম্যাছেজ পাঠিয়ে জানতে চেয়েছে তাঁর জন্মগত পরিচয় কী? ?? ঐ ম্যাছেজটি আমার http://warcriminalsinbangladesh.wordpress.com ৩৯ বছরের “বাংলাদেশ” নামের কন্যা সন্তান আজ বড় হয়ে তাঁর পিতৃ পরিচয় জানতে চাইছে। আমাকে জিজ্ঞেস করছে, তুমি মুক্তিযোদ্ধা ৭১ এ যুদ্ধ করেছো? তাহলেতো তুমিই বলতে পারো আমার বাবা কে? আমার মা কোথায় এখন? আমি জে মাদার তেরেসার আশ্রমে জনমে ছিলাম, সেটি কোথায়? এবং শেষের প্রশ্ন “ আমি ক্যানাডায় কেন?

আমি মূখ্র মোউড় কোনো জবাব দিতে পারিনি, শুধু ফেসবুকে সাবেক মন্ত্রী রাজ্জাকভাই, গোপালগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা সহিদুল আলম ভাই এবং মায়াভাইকে লিখলাম ভাই আমরা কি এদের খুঁজে বের করতে পারি? রাগে ক্ষোভে এবং প্রচন্ড ক্ষীপ্রতার সাথে লিখলাম, তাহলে ঐ নরঘাতক নরপিশাচ শুয়োর গোলাম আযম, নিজামী, সাঈদী আর সাকা চোউধুরীকে জিজ্ঞেস করেন?

মোকতেল হোসেন মুক্তি

মুক্তিযোদ্ধা

http://thefounderofbangladesh.wordpress.com

https://jathirpitha.wordpress.com

http://skmujiburrahman.blogspot.com

http://thefounderofbangladesh.wordpress.com

http://razakarnizami.blogspot.com

http://warcriminalnizami.blogspot.com/

http://warcriminalssakachoudhury.blogpsot.com

http://warcriminalsinbangladesh.blogspot.com

http://ziaandrazakars.blogspot.com

http://khaledaziaandrazakars.wordpress.com

 

One response to “৪০তম মহান স্বাধীনতার এই মাসে জানাই মুজিবীয় সুভেচ্ছা

  1. Mukthishena71

    এপ্রিল 5, 2011 at 11:02 অপরাহ্ন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘পবিত্র কোরআনে নারী ও পুরুষের সম্পত্তি ভাগাভাগির কথা যেভাবে বলা আছে, আমরা তা মেনেই নারীনীতি করেছি। বাংলাদেশ আজ জঙ্গি আর দুর্নীতির দেশ নয়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদমুক্ত করব।’ গতকাল রোববার বিকেলে কক্সবাজার শহরের জেলে পার্ক ময়দানে (বিমানবন্দরের দক্ষিণ পাশে) জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুফতি আমিনী একজন বুজর্গ মানুষ হয়েও নারীনীতির ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। বিভ্রান্তি ছড়িয়ে জনগণকে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি নারীদের সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠায় বিরোধিতা করছেন। অথচ মরহুম হাফেজ্জি হুজুরের জামাতা হয়েও তাঁর প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসায় এতিম ছেলেদের জায়গা না দিয়ে তিনি নিজেই দখল করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ক্ষমতা দেওয়ার মালিক আল্লাহ। আর ক্ষমতা থেকে নামানোর মালিকও আল্লাহ। অথচ আমিনী বলেন, তিনি ক্ষমতা থেকে টেনে নামাবেন। তাহলে তিনি কি আল্লাহর চেয়েও শক্তিশালী হয়ে গেছেন?
    হরতাল প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, হরতালে গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পিকেটিং করা হয়। আর তাই কোরআন হাতে রাস্তায় নামলে কোরআর অবমাননা হয়। আমিনীরা ধর্মকে ব্যবহার করে দেশে সন্ত্রাস সৃষ্টি করতে চাইছেন।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষকে বঞ্চিত করে গ্যাস দিতে রাজি হইনি বলে ২০০১ সালে আমাদের ক্ষমতায় যেতে দেওয়া হয়নি। আর খালেদা জিয়া গ্যাস চুক্তির মুচলেকা দিয়েছেন বলেই তাঁকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে। কিন্তু ক্ষমতায় থাকার পরও তিনি (খালেদা জিয়া) বিদেশিদের গ্যাস দিতে পারেননি। এখন ক্ষমতা হারিয়ে আবলতাবল বকছেন। নানা ষড়যন্ত্র করে দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করছেন।’
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল ছিল স্বর্ণযুগ। এই সময়ে ১০ টাকা কেজি দামে মানুষকে চাল খাইয়েছি। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় এসে চাল-ডাল-তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। দেশের সম্পদ লুট করে হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। বাংলাদেশকে দুর্নীতি, লুটপাট আর জঙ্গির দেশে পরিণত করেছে।’
    জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) এ কে আহমদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আফছারুল আমীন, পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাংসদ আকতারুজ্জামান চৌধুরী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, কক্সবাজারের সাংসদ আবদুর রহমান বদি, এথিন রাখাইন প্রমুখ।
    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজ বাংলাদেশ জঙ্গি আর দুর্নীতির দেশ নয়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ জঙ্গি ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে। আমরা জনগণের উন্নয়নে কাজ করছি। কৃষিতে ভর্তুকি দিয়ে, চাষিদের ঋণসহায়তা দিয়ে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা হচ্ছে।’
    দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রয়েছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেট না থাকায় এখন চাষিরা ২৭ টাকার এক কেজি চালের দাম পাচ্ছেন ৪০ টাকা। ১৩০ টাকার মসুরের ডাল ১৭০ টাকা। এতে তাঁদের ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছে। তিনি বলেন, গ্রামীণ জনপদের অসহায় গরিব মানুষের অভাব, দুঃখ-দুর্দশা লাঘব করতে আমরা সারা দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিজিএফ ও ভিজিডি কর্মসূচি চালু রেখেছি।’
    শেখ হাসিনা বলেন, ‘গত দুই বছরে আমরা এক হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছি। আগামী দিনে উৎপাদন আরও বাড়ানো হবে। এ জন্য নতুন করে আরও বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে।’
    বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর কক্সবাজারকে পরিবেশবান্ধব পর্যটননগর হিসেবে গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কক্সবাজারের মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট না দিলেও আওয়ামী লীগ কক্সবাজারবাসীকে ভোলে না। কারণ আমরা মানুষের জন্য কাজ করি। আমরা কক্সবাজারের উন্নয়নে বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের করে তৈরি করব। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটারের রেলপথ সম্প্রসারণ করা হবে। ৪০০ কোটি টাকায় আধুনিক মানের একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর, আন্তর্জাতিক মানের একটি ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নারীশিক্ষার প্রসারে কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজে অনার্স কোর্স চালুসহ নানা অবকাঠামো তৈরি, তথ্যপ্রযুক্তিকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতে সাবমেরিন কেবলের ল্যান্ডিং স্টেশনে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ব্যান্ডউইডথ সম্প্রসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। নারীদের চাকরির জন্য শহরে একটি নার্সিং ইনস্টিটিউট, মেরিন ড্রাইভ সড়কের উন্নয়ন, পানির সংকট নিরসনে ভূগর্ভস্থ ও প্রাকৃতিক জলাধার তৈরি ও সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে।
    তরুণ প্রজন্মকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত থেকে শিক্ষা-দীক্ষায় উন্নত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রতিটি গ্রামে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক করব। আগামী দিনে ডিগ্রি পর্যন্ত মেয়েদের লেখাপড়ার জন্য কোনো বাবা-মাকে পয়সা খরচ করতে হবে না।’
    বিমানবাহিনীর ঘাঁটি উদ্বোধন: সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে কক্সবাজারে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন (বিমানবন্দরের পশ্চিমে) বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি ঘাঁটি উদ্বোধন করেন। এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা রক্ষায় বিমানবাহিনীকে আন্তর্জাতিক ও আধুনিক মানের করে গড়ে তোলা হবে। আর এর অংশ হিসেবে এই ঘাঁটির উদ্বোধন করা হচ্ছে।
    দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী শহরের ঝিলংজা এলাকায় গিয়ে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ, দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন সম্প্র্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর কক্সবাজার সাবমেরিন কেবলের ল্যান্ডিং স্টেশনে গিয়ে ৪০জি সলিউশন ব্যবহারের ব্যান্ডউইডথ সম্প্রসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। তিনি বেলা তিনটায় সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে স্থানীয় প্রশাসন, আইনজীবী ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে বিকেল সাড়ে চারটায় জনসভায় যোগ দেন। ২০ মিনিটের ভাষণ শেষ করে তিনি হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করেন।

     

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

 
%d bloggers like this: